News Bangla 24×7 Online Desk: ঢাকা/কলকাতা:
বাংলাদেশে ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মাঝেই নতুন করে বিতর্কে জড়ালেন এক বাংলাদেশি ইসলামি বক্তা। পদ্মাপারের উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে ‘বিয়ের প্রস্তাব’ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছেন বাংলাদেশের নোয়াখালির বাসিন্দা ইসলামি বক্তা আলেম রফিকউল্লাহ আনসারী।
সূত্রের খবর, সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি অডিও বার্তা ভাইরাল হয়। সেই অডিওতে ওই ইসলামি বক্তাকে বলতে শোনা যায়—
“আমি চাই আমার মমতা আপুকে এখানে এনে দেওয়া হোক। আপুর যদি স্বামী না থাকে, আমি তাকে বিয়ে করব। আপু, চলে আসুন। আমরা মিলেমিশে থাকব। বুক ভরা ভালোবাসা দেব। আই লাভ ইউ আপু।”
এই মন্তব্য ঘিরেই শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। যদিও এই বক্তব্যের সত্যতা বা উদ্দেশ্য নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি স্তরে নিশ্চিতকরণ হয়নি।
কে এই রফিকউল্লাহ আনসারী?
জানা গিয়েছে, আলেম রফিকউল্লাহ আনসারী বাংলাদেশের নোয়াখালির বাসিন্দা। তিনি নিজেকে একজন ইসলামি বক্তা হিসেবে পরিচয় দেন এবং কোরান, কেয়ামত, নৈতিকতা, বিবাহ ও সমাজসংস্কার সংক্রান্ত বিষয়ে ওয়াজ করে থাকেন। ইউটিউব ও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বক্তব্যের উল্লেখযোগ্য জনপ্রিয়তা রয়েছে।
তিনি একাধিক সময় মাদ্রাসায় শিশুদের উপর নির্যাতনের বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন বলে দাবি করা হয়।
নেটপাড়ায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া
ভাইরাল অডিওকে কেন্দ্র করে নেটদুনিয়ায় চলছে তীব্র আলোচনা। কেউ কেউ বিষয়টিকে কৌতুক হিসেবে দেখলেও, অনেকেই একে রুচিহীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য বলে সমালোচনা করছেন।
নেটিজেনদের একাংশ ব্যঙ্গ করে লিখেছেন—
“আপনি নিয়ে যান, আমরা তাহলে বাঁচি!”
“তাড়াতাড়ি নিয়ে যান, উনি আপনার জন্যই ঠিক।”
তৃণমূল বা মুখ্যমন্ত্রীর কোনও প্রতিক্রিয়া নেই
এই বিতর্ক নিয়ে এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশে ফের উত্তেজনা, ঢাকায় বিস্ফোরণ
এর মধ্যেই বাংলাদেশে রাজনৈতিক উত্তাপ চরমে। বিএনপি চেয়ারপার্সনের পুত্র তারেক রহমানের দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে নতুন করে অশান্তি ছড়িয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকার মগবাজার উড়ালপুল এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণে এক যুবকের মৃত্যু হয়। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে রাজধানী ঢাকায়।
আগামী বছর বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন। তার আগেই রাজনৈতিক মেরুকরণ ও সহিংসতা নতুন মাত্রা নিচ্ছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
হ্যাশট্যাগ

