News Bangla 24×7 Online নিজস্ব সংবাদদাতা:
মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের আবহ ঘনীভূত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সহায়তায় ইজরায়েলের ইরানে হামলার পর তেহরানের পাল্টা আক্রমণে উপসাগরীয় অঞ্চলে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ইরানের তরফে অভিযোগ, তাদের ভূখণ্ডে টানা বোমা বর্ষণের জবাব দিতেই একাধিক মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
সূত্রের খবর, প্রথমে বাহারিনে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি লক্ষ্য করে মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়। পরবর্তীতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির আবুধাবি, কুয়েত এবং কাতারের বিভিন্ন এয়ারবেস লক্ষ্য করে হামলার খবর সামনে আসে। জর্ডন থেকেও বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। হামলার পর বাহারিনে সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে এবং নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।
পরিস্থিতির জেরে কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সাময়িকভাবে আকাশপথ বন্ধ রাখে। জর্ডন, কাতার ও ইউএই-তে মার্কিন দূতাবাস কর্মীদের ‘শেল্টার-ইন-প্লেস’ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে জেরুজালেম-সহ ইজরায়েলের বিভিন্ন অংশ লক্ষ্য করে ইরান থেকে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে বলে দাবি।
ইরানি সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, হামলায় মার্কিন সামরিক সম্পদের বড়সড় ক্ষতি হয়েছে। তবে ইজরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র মাঝপথেই প্রতিহত করা হয়েছে। বিশেষত কাতারে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় ছিল বলে দাবি।
আবুধাবি থেকে একজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেলেও হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও স্পষ্ট নয়। আন্তর্জাতিক মহল পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছে। রাষ্ট্রসংঘ-সহ বিভিন্ন কূটনৈতিক মহল অবিলম্বে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে গোটা মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে। তেলবাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও এর প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

